• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

৯ পৌর নির্বাচন প্রত্যাখ্যান বিএনপির

বিএনপিঢাকা: বুধবার অনুষ্ঠিত ৯টি পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের ভোট ডাকাতি, জালিয়াতি, কেন্দ্র দখল, হামলা, নির্যাতনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি।  বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল দুপুরে সিইসি রকিবুল উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাত করে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে অবিলম্বে এই প্রহসনের নির্বাচন বাতিল করে পুনঃনির্বাচনের দাবি করেন। এসময় তারা নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগও দাবি করেন।
প্রায় এক ঘণ্টা সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি’র পক্ষ থেকে লিখিতভাবে বুধবার অনুষ্ঠিত ৯টি পৌর নির্বাচনে সহিংসতা, ভোট ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে বলা হয়, এই নির্বাচন কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
নির্বাচন কমিশনের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, নোয়াখালী, ছাগলনাইয়া, কসবাসহ বিভিন্ন পৌর এলাকায় ভোট হয় নাই, হয়েছে বনদস্যু, জলদস্যু, সন্ত্রাসীদের মহাউৎসব, সেখানে সাধারণ মানুষেরা আতংকে ভোট কেন্দ্রে দূরে থাক, নিজের বাড়িতেও থাকতে পারে নাই। বিএনপি প্রার্থী এবং তাদের সমর্থক ভোটার এবং পোলিং এজেন্টদের পর্যন্ত ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হয় নাই।
বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহানের ওপর কয়েকদিন আগে নোয়াখালীতে নির্বাচনী প্রচারণাকালে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা ককটেল হামলা করেছে, আজও তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় নাই, বরং সন্ত্রাসীদের আড়াল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ও তাদের পদলেহী নির্বাচন কমিশন যেখানে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে, সেখানে তাদের অধীনে জাতীয় নির্বাচন কোনভাবেই অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু হতে পারে না।
তিনি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ইসি যদি ভোট ডাকাতির নির্বাচনগুলো বাতিল করে পুনঃনির্বাচন দিতো, তবে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার ও প্রশাসন বাধ্য হতো।
নোমান বলেন, সিইসিকে বলেছি, নির্বাচন কমিশনের মর্যাদা এবং ভোটাধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছেন, অনৈতিক সরকারের চাপে। যদি ভোটাধিকার রক্ষা করতে না পরেন, তবে ওই চেয়ার থেকে সরে এসে জনগণের কাতারে শামিল হোন, অন্যথায় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবেন না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) সুজাউদ্দিন, বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আওয়াল খান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ